গল্প রোমান্টিক জ্বিন বর 

পর্ব: ১৮

#লেখক__মোঃ__নিশাদ


____হামজা আমার পেটে তোমার সন্তান, মনে মনে বলতে লাগলো খুশি, ঠিক সেই সময় খুশির মা এসে বললেন। 


খুশির মা: কিরে বিরবির করে কার সাথে কথা বলিস, আর একটু আগে তোর রুমে কথা বলার আওয়াজ পেলাম। 


খুশি: আমার শশুর আসছিলো, হামজার বাবা। 

মা: কি বলিস, এতদিন পর ওনি কেনো তোর কাছে আসবে, কি বললো ওনি। 


খুশি: হামজার বাবা, আমাকে একটা খুশির খবর দিলো, মা আমার হামজা মরে নি ও বেঁচে আছে।


মা: কিহহ, কে বললো। 

খুশি: হামজার বাবাই বললো। 


মা: হামজা যদি বেঁচেই থাকবে, তাহলে তোর কাছে আসেনা কেন। 


খুশি: মা, তোমার সাথে থাকা পিচাশ জ্বিনটাকে মেরে ফেলার কারণে, হামজার কারাদন্ড হইছে, দশ বছরের। 


মা : এসব কি বিশ্বাস করার মত কথা নাকি৷ হামজা বাবা তোকে মিথ্যা বলেছে হয়তো, তুই হামজার জন্য বেশি ইমোশনাল তাই ওনি মিথ্যা বলছে। 


খুশি: না মা এটা মিথ্যা না। এটা সত্যি 

খুশির মা : এখন এসব বিষয়ে আর কিছু বলতে চাইনা। তোর শরীল খারাপ ঘুমা। 


___খুশিকে ঘুমাতে বলে ওর মা চলে গেলেন। এদিকে খুশি হাসি মুখে ঘুমিয়ে পড়লেন। 


যাইহোক, এভাবে কেটে গেলো আরো দু তিনমাস, দুই তিনমাস পর খুশির কোল আলো করে ওর একটা ছেলে সন্তান জন্ম নিলো। 


ছেলে সন্তান জন্ম নেয়ায় খুশি ওর নাম রাখলেন, খালেদ বিন ইউসুফ। 


খালেদ জন্ম নেবার পর, হামাজার মা বাবা সহ অনেক জ্বিনেরা ওকে দেখতে আসেন, সবাই অনেক খুশি। 


___যাইহোক ছোট খালেদ, আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলেন, আস্তে আস্তে সব কিছু বুঝতে শিখলেন। 


খালেদের বয়স যখন তিন বছর তখন খুশির মা বাবা খুশিকে বিয়ে দেবার কথা ভাবলেন, কিন্তু খুশি কোন ভাবে বিয়ে করতে রাজি হচ্ছিলেন না। 


খুশিকে বিয়ে দিবে৷ এই কথা হামজার বাবা জানার পর, হামজার বাবা, আবারো খুশির মা বাবার কাছে আসে এসে বলেন। 


হামজার বাবা: আপনারা কেনো, খুশিকে জোড়াজুড়ি করছেন, খুশি হামজাকে অনেক ভালোবাসে, ওরা স্বামী স্ত্রী ওকে দয়া করে জোর করবেন না বিয়ের জন্য। 


খুশির বাবা: তাহলে কি করবো শুনি৷ আপনার ছেলের জন্য আমার মেয়েকে বুড়ি বানাবো। খালেদ এখন বড় হইছে৷ তাই আমরা খুশির জন্য ছেলে দেখছি ওকে বিয়ে দিবো। 


হামজার বাবা: দেখুন, আপনারা আমার আত্মীয়, তাই আমি এতদিন চুপ করে ছিলাম, কিছুই বলিনি কিন্তু এখন যেটা করছেন বাড়াবাড়ি করছেন৷ 


খুশির বাবা: আমার মেয়েকে আমি কি করবো না করবো সেটা আপনাকে বলতে হবেনা। আপনি চলে জান আমি খুশির বিয়ে দেবই। 


হামজার বাবা: ওহহ তাই, ঠিক আছে দিন দেখি৷ কিভাবে আপনি খুশির বিয়ে দেন। আমি বেঁচে থাকতে এটা হতে দিবোনা তাই শেষবারের মত বলছি এসব কইরেন না। 


এই বলে হামজার বাবা চলে গেলেন। এদিকে হামজার বাবার কথায় তোয়াক্কা না করে খুশির মা বাবা খুশির জন্য ছেলে দেখতে লাগলেন। 


খুশি এতবার করে না করার পর ও ওর বাবা মা জেদ করে একটা ছেলের সাথে ওর বিয়ে ঠিক করলেন। 


বিয়ে ঠিক করলেন, বিয়ের দিন ও এলো। কিন্তু বিয়ে আর হলোনা৷ বিয়ের দিন ছেলে বাড়ি থেকে জানানো হয় ওরা খুশিকে বিয়ে করবেনা, কারণ জানতে চাইলে তাঁরা কিছুই বলেনা, সুধু বলে এই বিয়ে হবেনা। 


এভাবে একটা বিয়ে ভেঙে গেলো, কিন্তু খুশির মা বাবা থেমে থাকেনি, তাঁরা আবারো অন্য ছেলে দেখলো৷ কিন্তু এবারো ঠিক একি ঘটনা। বিয়ের দিন আসলে ছেলে পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হয় তাঁরা বিয়েটা করবেনা। 


এভাবে পর পর বিয়ে ভেঙে জাবার কারণে খুশির মা বাবা, হাল ছেড়ে দেন, তাঁরা খুশির বিয়ে কথা বলা বন্ধ করে দেন। 


এভাবে কেঁটে যায় আরো কয়েকটা বছর..... 


তারপর.....

Next....


এই গল্পর পরের পর্বটা হবে শেষ পর্ব..শেষের পর্ব বড় করে দিবো, আর চমক থাকবে, হোক সেটা খুশির বা দুঃখের.....


গল্পঃ রোমান্টিক জ্বিন বর 

লেখক মোঃ নিশাদ

সকল পর্বের লিংক


পর্ব০১

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_8.html

পর্ব০২

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_41.html

পর্ব০৩

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_46.html

পর্ব০৪

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_85.html

পর্ব০৫

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_33.html

পর্ব০৬

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_58.html

পর্ব০৭

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_92.html

পর্ব০৮

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_7.html

পর্ব০৯

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_23.html

পর্ব১০

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_14.html

পর্ব১১

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_60.html

পর্ব১২

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_93.html

পর্ব১৩

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_12.html

পর্ব১৪

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_19.html

পর্ব১৫

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_59.html

পর্ব১৬

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_51.html

পর্ব১৭

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_44.html

পর্ব১৮

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_98.html

পর্ব১৯ (শেষ পর্ব)

https://www.linkstorebd.com/2024/04/blog-post_68.html

Post a Comment

Previous Post Next Post