গল্প জ্বিনের সংসার
পর্ব - ০৩
#লেখক__মোঃ__নিশাদ
____ঘুম ভাঙতেই জান্নাত দেখেন সে তার রুমে নেই,, সে শুয়ে আছে বাঁশঝাড়ে।
নিজেকে আচমকা বাঁশঝাড়ে দেখে চিৎকার দিয়ে উঠে দাঁড়ান জান্নাত।
চারিদিকে নিরবতা, গভীর রাতে বাঁশ ঝাড়ে কিভাবে আসলো সে। জান্নাত প্রচন্ড ভয় পেয়ে চিৎকার করতে থাকে ||
____ওদিকে জান্নাতের মায়ের ঘুম ভেঙে যাওয়ায় তিনি জান্নাতের রুমে গিয়ে দেখেন জান্নাত রুমে নেই।
জান্নাত রুমে নেই,, এই দেখে ওর মা চিৎকার করতে থাকেন। জান্নাতের মায়ের চিৎকারে ওর বাবা সহ আশপাশের অনেকে জেগে দৌড়ে আসেন তাদের বাড়িতে,,
____বাড়িতে আসতেই জান্নাতের মা চিৎকার করে বলতে থাকেন, আমার মেয়ে নেই,, জান্নাত ঘরে নেই।
জান্নাত ঘরে নেই৷ এটা শুনে ওর বাবা সহ আশপাশের সবাই লাইট হাতে খুঁজতে থাকে।
সবাই ভাবে গত রাতের মত আবার কিছু হলো নাতো, জান্নাতকে নিশ্চয়ই কবরস্থানে পাওয়া যাবে।
____এই ভেবে দুইটা দল হয়ে এক দল লাইট হাতে জান্নাতকে খুঁজতে জান কবরস্থানে,, আরেক দল খুঁজতে জান, বাঁশ ঝাড়ের দিকে৷
এদিকে জান্নাত বাঁশ ঝাড়ে জান্নাত চিৎকার করছে,, ওর চিৎকারে ওকে খুঁজতে আসা সবাই দৌড়ে এগিয়ে আসে ওর দিকে।
সবাই দৌড়ে জান্নাতের কাছে আসায়, জান্নাত সবাইকে দেখে জ্ঞান হাড়িয়ে ফেলেন।
সেখানে থাকা সবাই জান্নাতকে ধরে তার বাড়িতে নিয়ে আসেন৷ বাড়িতে নিয়ে আসার পর সবাই জিজ্ঞেস করেন, ও বাশ ঝাড়ে গেলো কিভাবে।
____ সবার কথার উওরে জান্নাত বলেন, আমি কিছু জানিনা আমিতো রুমে ঘুমিয়ে ছিলাম, হঠাৎ মশার কামড়ে ঘুম ভেঙে যাওয়াও আমি দেখলাম বাঁশ ঝাড়ে শুয়ে আছি।
জান্নাতের মুখে ঘটনাটা শোনার পর সবাই বলাবলি করে,, বিষয়টা একদমি সাধারণ নয়।
যাইহোক,, বেশ কিছুক্ষন পর, আশপাশের সবাই চলে জান।
মেয়ের এমন অবস্থা দেখে জান্নাতের বাবা ও চাচা মিলে ঠিক করেন, সকাল হলেই একজন কবিরাজের কাছে জাবেন তাঁরা। ____
_____কথামত, সকাল হতেই জান্নাতের বাবা ও চাচা একজন কবিরাজকে নিয়ে আসেন তাদের বাড়িতে।
কবিরাজ জান্নাতদের বাড়িতে এসে, অবাক হয়ে তাদের বাড়িতে থাকা একটা আম গাছের দিকে তাকিয়ে থাকে।
কবিরাজ এভাবে এক দৃষ্টিতে আম গাছের দিকে তাকিয়ে আছে, এটা দেখে জান্নাতের বাবা বলেন।
জান্নাতের বাবা - কবিরাজ সাহেব, কি হলো এক দৃষ্টিতে ওদিকে কি দেখেন।
জান্নাতের বাবার কথায় কবিরাজ বলেন, চলেন ঘরে চলেন তারপর সব বলছি ____
___এই বলে কবিরাজ সাহেব সবাইকে নিয়ে রুমে জান, রুমে গিয়ে। জান্নাতের বাবার জান্নাতের সাথে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা খুঁলে বলেন কবিরাজকে।
কবিরাজ সব ঘটনা শুনে। সবাইকে বলেন।
কবিরাজ - শোনেন। আপনাদের বাড়িতে একটা জ্বিন আছে। আমি যখন আপনাদের বাড়িতে আসলাম। তখন সেই আম গাছের দিকে তাকিয়ে আমি ওই জ্বিনটাকেই দেখছিলাম।
জান্নাতের বাবা - কিহ বলেন,, আমাদের বাড়িতে জ্বিন আছে। কবিরাজ সাহেব সব খুঁলে বলেন তো জান্নাতের সাথে এসব ঘটনা কেন হচ্ছে।
কবিরাজ - জানিনা কথাটা শুনে কিভাবে নিবেন, তবে এটাই সত্যি সেই জ্বিনটা জান্নাতকে পছন্দ করে। সে চায় জান্নাতের বিয়ে অন্য কোথাও না হোক।
জান্নাত মারা যায়নি, আপনাকে ভেবেছেন ও মারা গেছে তাই ওকে মাটি দিয়ে আসছিলেন, কিন্তু এসব ওই জ্বিনটার কাজ, গত কাল রাতে জান্নাতকে বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন সেই জ্বিনটাই।
জান্নাতের চাচা: কিন্তু, কবিরাজ সাহেব ওই জ্বিনটা এসব কেন করছে।
কবিরাজ : কারণ আপনারা জান্নাতের বিয়ে ঠিক করছেন অন্য কোথাও তাই। এসব উল্টো পাল্টা কাজ করাও জান্নাতের বিয়ে ভেঙে গেছে। জ্বিনটা চায় জান্নাতের বিয়ে অন্য কারো সাথে না হোক।
জান্নাতের বাবা: কবিরাজ সাহেব, আপনি সবি জানেন, আপনি কিছু একটা ব্যাবস্তা করুন। ওই জ্বিনটাকে তাড়িয়ে দিন এখান থেকে।
কবিরাজ: না আমি এটা পারবোনা,, কারণ সে সাধারণ কোন জ্বিন না। অনেক ক্ষমতা ওর। তবে আপনারা চিন্তা করবেন না ও আপনাদের বা জান্নাতের কোন ক্ষতি করবেনা। কখনও ভয় দেখাবেনা।
___এই কথাটা বলে৷ কবিরাজ চলে জান।
তারপর____
Next____
Post a Comment